উনিশশো একাত্তর ডেস্ক প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর , ২০২৩ , ১০:৪৪ এম
নরসিংদীতে গত ২৯/০৭/২৩ ইং সংঘটিত নাশকতার ঘটনায় রুজুকৃত নরসিংদী মডেল থানার ৫৩ নং মামলার ২৯/০৭/২৩ তারিখে ধারা বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/ ২৫ - ডি এর তদন্তে প্রকাশিত আসামিঃ
১) নরসিংদী রায়পুরা উপজেলার মাহমুদপুর এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে মোঃ বিল্লাল হোসাইন (২২)।
২) নরসিংদী মনোহরদী উপজেলার লেবুতলা জালপাড়া এলাকার সানা উল্লার ছেলে শফিকুল ইসলাম(১৯)।
৩) নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার চকতাতারদী এলাকার আতাউর রহমান এর ছেলে আরাফাত(১৯)। সর্ব এ/পি গাবতলী তিতাস রোড মকবুল মাস্টারের বাড়ির ভাড়াটিয়া।
এদের সকলকে নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম এর নির্দেশনায়। ২৬/১০/২০২৩ ইং দিবাগত রাত ০১:৩০ ঘটিকার সময় গাবতলি এলাকায় নরসিংদী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহীদুল ইসলাম সোহাগ ও অফিসার ইনচার্জ নরসিংদী মডেল থানা আবুল কাশেম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে নরসিংদী মডেল থানার একদল অফিসার ফোর্স অভিযান পরিচলনা করেন। এ সময় তারা নরসিংদী গাবতলি মাদ্রাসা সংলগ্ন মাদ্রাসার শিক্ষক ও জেলা জামাতের কোষাধ্যক্ষ মকবুল হোসেনের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন। আসামিদের ৩দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন সহ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হচ্ছে। উক্ত আসামীরা উল্লেখিত মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার স্বপক্ষে তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। রাষ্ট্র বিরোধী নাশকতা ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অশান্ত করার যে কোন চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।
১ নং আসামী বিল্লাল হোসেন গাবতলি জামেয়া কাশেমিয়ার সাবেক শিক্ষার্থী। শফিকুল ও আরাফাত বর্তমান শিক্ষার্থী এবং ছাত্র শিবিরের সাথী বলে জানা যায়। উক্ত মকবুল হোসেনের বাড়িটি জামাত শিবিরের ও নাশকতামূলক কাজের সাথে জড়িতদের আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হয় বলে প্রকাশ পায়।উক্ত মকবুল ও তার অপরাপর সহযোগী গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।