উনিশশো একাত্তর ডেস্ক প্রকাশিত: ৩০ ডিসেম্বর , ২০২২ , ১১:৫৯ এম
উনিশশো একাত্তর ডেস্কঃ সম্পৃতি এক গোঁপন তথ্যর ভিত্তিতে জানা যায় ছেলের নাম জোবায়ের হোসেন (ছদ্মনাম) মেয়ে আকলিমা (ছদ্মনাম) উভয়ের প্রেমের সম্পর্ক আজ ১যুগ ধরে।
সেই ধারাবাহিকতায় তাদের বিবাহ হয়, তাদের কোল জুঁড়ে আসে ২টি সন্তান। সেই পরিবারে ভালোই ছিলো তারা দুজনে। দীর্ঘ এই বিবাহ বন্ধনে ইতি টানলো ১টি নতুন প্রেমের জন্য ছেলে জামাল (ছদ্মনাম) জানা যায় সে একজন ইউ.পি সদস্য।
তার পরিবারে আছে তার ৩টি সন্তান ও তার স্বীয় স্ত্রী। সে ঐ যে মেয়েটির সাথে নতুন সম্পর্কে জড়ায় এই সম্পর্কে নেই কোনো ভবিষ্যত আছে অন্ধকার। ক্ষনিকের এই সম্পর্ক যে দুই পরিবারের মাঝে কাল হয়ে দাঁড়াবে তা জানতেন না কেউই।
মেয়ের স্বামী যখন তার এই চলাফেরা বুঝে ফেলেন তখন তার উপর নজর দারি রাখেন, মেয়ে ১টি স্কুলে চাকরি করতো এবং সেই চাকরি তাদের মাঝে আরেক ভুল সম্পর্কের জন্মদেয়, ছেলেটা প্রতিদিন স্কুল ছুটিরপর তার স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতো, স্কুল ছুটির ওর ঐ মেয়েকে নিয়ে যেতো তার সাথে।
তারা গোপণে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতো শহরের ১টি এলাকায়, ছোট মাতৃদুগ্ধ শিশুটি যখন মাকে কাছে না পেয়ে ছটফট করতে লাগলো ঠিক তখনই তার শাশুড়ী মেয়ের জামাইকে বিষয়টি বললে সে পাগলের মতো ছুঁটে আসে ঢাকা থেকে, (বলেরাখি) ছেলের সাথে ইউ.পি সচিব শাহ্আলমের সম্পর্ক ছোট ভাইয়ের মতো। ইউ.পি সচিব শাহ্ আলম হোসেন নরসিংদী সদর উপজেলাধীন চিনিশপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হিসেবে বর্তমান দায়িত্ব পালন করছেন।
ভুক্তভোগী যে ছেলে তাদের একটি ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিলো পূর্বে ইউ.পি সচিব শাহ্আলম হোসেন ঐ দোকানের একজন নিয়মিত ক্রেতা ছিলেন। এভাবেই তাদের মাঝে একটি ভাই ভাই সম্পর্ক তৈরী হয়। শাহ্আলম হোসেন যখন অফিসে কাজ করতেছিলেন ঠিক তখনই তার অফিসের সহকারী এসে বললো জোবায়ের কে দেখে আসলাম বাচ্চাটা কোলে নিয়ে পাগলের মতো ঘুরতাছে, সাথে শাশুড়ী আছে।
তারপর শাহ্আলম হোসেন দ্রুত অফিসে তাদের নিয়া আসেন এরপর সব তথ্য জানার পর থানার অফিসারদের সহযোগিতায় তার স্ত্রীর মোবাইল ট্র্যাক করে মোবাইলের লোকেশন দেখেন। ঐ লোকেশনের সুত্র ধরেই বেড়িয়ে আসে আসল ঘটনা।
এরপর তাদের একটি বাড়িতে একসাথে পাওয়া যায়। সেই বাড়িতে তারা মিথ্যাকথা বলে উঠে, এবং বেশি সময় কেউই থাকেনা। বাড়িওয়ালাও পাশের ভাড়াটিয়াদের সন্দেহো সবকিছু যেনো (চোরের মন পুলিশ পুলিশ) এমন হয়েগেলো এবং ধরা খেয়ে গেলো। তারপর গ্রাম্য বিচার শুরুহয় সমাজের বিচারক পর্যায়ের লোকদের দিয়ে। ছেলের অভিভাবক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহ্ আলম হোসেন।
এরপর (অপরাধী) ছেলে-মেয়ে ও জোবায়ের অর্থাৎ ৩টি পরিবারের লোকজনের সমন্বয়ে কঠিন বিচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন (অপরাধী) ইউ.পি সদস্যর অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, উপস্থিত ছিলেন সাবেক ২জন চেয়ারম্যান, ইউপি সচিব শাহ্ আলম হোসেন সহ আরো অনেকেই। এরপর মেয়ের শাশুড়ীকে করো জোড় করে মানবিক দৃষ্টি জঙ্গির অপরাধের পর্দা ফারাক করে মহত্বের গুণ ক্ষমার মায়াজালকে বাঁচিয়ে তাদের পরিবারে ফিরিয়ে দেয়া হয়। তারা মেনেই নিলো আজই ডিভোর্স হবে এই মেয়েকে আর তারা বাড়িতে নিবেনা কিন্তু ২টি নিষ্পাপ শিশুর ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে তারা মেনে নিলেন।
কারণ ছেলে বউ পাবে, মেয়ে জামাই পাবে কিন্তু সন্তান ২টি আগুনে পড়ে যাবে। এই চিত্র যেনো এই সমাজে মেনে নেয়ার ঘটনাকে মানিয়ে, না নেয়ার ঘটনাকে হার মানিয়ে আবারো জঁয় করলো মানবতাকে। ইউপি. সচিব শাহআলম হোসেন ছেলের মাকে বললেন সে আজ থেকে আপনার বাড়ির কাজের মেয়ে হিসাবে থাকবে, জীবনের শেষ সুযোগ দিয়ে বাচ্চা দুইটার চিন্তা করে হলেও মাফ করে রেখেদেন। যদি কোনোদিন উঁচুস্বরে কথা বলে ঐদিন ঘাঁড় ধরে বের করে দিবেন।
পরিশেষে এই ইউ.পি সচিব বলেন ১০টি খারাপ কাজের মাঝে যদি সর্বোত্তম ১টি ভালো কাজ করা হয় তাহলে ঐ ৯টি খারাপ কাজ ডেঁকে যায়। জন্ম, মৃত্য, বিয়ে ৩টি নিয়ে, বিয়ে ভাঙা মসজিদ ভাঙার সমতুল্য। মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে এই জঘন্য কাজ আমি শাহ্ আলম কখনো করতে পারবো না।
আমাকে একজন গার্ডিয়ান হিসাবে এনেছে। আমারও ২টি মেয়েও ১টি ছেলে সন্তান আছে, আমি বুঝি বাবা-মায়ের আদর কত বড় নেয়ামত। পরিশেষে তিনি দেশবাসীকে একটি বার্তাদেন সংসার ভাঙবেন না গড়ে দিবেন, মানুষকে ক্ষমা করার মনমানসিকতা তৈরী করবেন।