উনিশশো একাত্তর ডেস্ক প্রকাশিত: ২ জানুয়ারী , ২০২৩ , ২২:৩৪ পিএম
ভোররাতে শাশুড়িকে নিয়ে পালালেন জামাই, আর রাতে শ্বশুরের সাথে মদপান।
শ্বশুর মদের নেশায় বুঁদ হয়ে কার্যত বেহুঁশ হয়ে যান। জামাই-শাশুড়ি এই সুযোগেই
পালিয়ে গিয়েছেন। ভারতের রাজস্থানের সিরোহি জেলার আনাদারা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।
সংবাদ অনুসারে , জামাই শ্বশুরের সঙ্গে মদ পানে বসে গল্প করছিলেন। শ্বশুর
মদের নেশায় বেহুঁশ হয়ে গিয়েছিলেন। পরের দিন ঘুম থেকে উঠে সকালে দেখেন, বাড়িতে নেই
তার স্ত্রী। খোঁজ মিলছে না এমনকি জামাইয়েরও। তিনি পরে জানতে পারেন, সম্পর্ক ছিল
জামাইয়ের সঙ্গে প্রেমের তার স্ত্রী অর্থাৎ শাশুড়ির। শাশুড়ি-জামাই রোববার রাতে
সুযোগ পেয়ে পালিয়ে গিয়েছেন।
আরও জানা যায়, জামাইয়ের বয়স ২৭ বছর এবং শাশুড়ির বয়স ৪০ বছর। শ্বশুর পুলিশের কাছে
অভিযোগ দায়ের করেছেন ইতোমধ্যে পলাতক জামাইয়ের বিরুদ্ধে। তিনি দাবি করেছেন, তাকে
বেহুঁশ করে দেয়া হয় মদ খাইয়ে প্রথমে। তারপরে জামাই পালিয়ে যায় শাশুড়িকে ফুঁসলিয়ে।
শ্বশুর রমেশ নিজের অভিযোগে জানিয়েছেন, মামাওয়ালির বাসিন্দা
নারায়ণ যোগীর সঙ্গে মেয়ে কৃষ্ণার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর তার জামাই ও মেয়ে বাড়িতে
মাঝেমধ্যে আসা যাওয়া করতেন। গত ৩০ ডিসেম্বর শ্বশুর জামাই বাড়িতে আসে। তারপরেই কাণ্ড
ঘটে ওই রাতে। গোটা বিষয়টি বুঝতে পারেন রমেশ ভোর ৪টার দিকে ঘুম থেকে উঠে ।
পুলিশ জানিয়েছে, খবর পাওয়া গেছে জামাই শাশুড়িকে অপহরণ করার। পুরো
বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পলাতক শাশুড়ির এক
ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। চার সন্তানের প্রত্যেকেই বিবাহিত। তিন সন্তান রয়েছে জামাইয়েরও।